আলোচিত কলেজ শিক্ষিকার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারে হস্তান্তর বিস্তারিত ভিতরে 👇

পত্রিকায় ১৫ আগস্ট “চিকিৎসক বললেন শ্বাসরোধে মৃত্যু খায়রুনের” শীর্ষক শিরোনামে প্রচারিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।

 

প্রতিবেদনটিতে কলেজশিক্ষিকা খাইরুন নাহারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গঠিত মেডিকেল টিমের প্রধান নাটোর সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সামিউল ইসলাম শান্ত জানান, মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তারা ধারণা করছেন, শ্বাসরোধ হওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তারপরও ভিসেরা রিপোর্ট আসলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

 

 

পরবর্তীতে বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হতে

 

নাটোর সদর থানার ওসি মো. নাছিম আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিউমর স্ক্যানারকে জানান, ‘মামুন তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে কি না এটা তদন্ত ছাড়া আমরা বলতে পারছি না। আপাতত এটাকে আমরা সুইসাইড হিসেবে ধরে নিচ্ছি।’

 

মূলত, আজ সকাল ৭ টায় নাটোরের শহরে একটি ভাড়া বাসা থেকে কলেজ শিক্ষিকা খাইরুন নাহারের মরদেহ উদ্ধার পরবর্তী সময়ে কোনো প্রকার নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই ডিবি পুলিশকে উদ্ধৃত করে ‘নেশার টাকার জন্য মামুন তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন’ শীর্ষক দাবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

 

প্রসঙ্গত, ৬ মাস প্রেমের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছা. খাইরুন নাহার (৪০] ও নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মামুন হোসাইন (২২)। সম্প্রতি তাদের বিয়ের এই বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

 

সুতরাং, ‘নেশার টাকার জন্য মামুন তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন’ শীর্ষক দাবিটি বিভ্রান্তিকর।

Leave a Comment